আস্থা রাখতে বললেন সংবাদপত্রে সৌরভ

আন্তর্জাতিক খেলাধুলা

করোনাভাইরাসের কারণে আতঙ্কে কাটছে সারা দুনিয়ার মানুষের জীবন। অনেক দেশেই এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে লকডাউনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থামিয়ে মানুষ হয়েছে গৃহবন্দী। এ সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন গুজব আতঙ্কের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সবার। বাংলাদেশ, ভারতের মতো দেশগুলোতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর প্রবণতা অনেক বেশি। করোনাকালেই নতুন গুজব রটেছে সংবাদপত্র নিয়ে। ছাপা পত্রিকা করোনা ছড়ায় এমন অবান্তর ও অসত্য কথা প্রচার হচ্ছে আকছারই। ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন সংবাদপত্রে আস্থা রাখতে। তাঁর মতে, একমাত্র সংবাদপত্র আর টেলিভিশনই পারে সত্যি খবরটা পৌঁছে দিতে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী।
সৌরভ গাঙ্গুলী লকডাউনের এই সময় নিয়মিত পত্রিকা পড়ছেন। টিভি দেখছেন। সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের খবরে আস্থা রাখতে বললেন ভারতের সাবেক এ অধিনায়ক

করোনাভাইরাসের কারণে আতঙ্কে কাটছে সারা দুনিয়ার মানুষের জীবন। অনেক দেশেই এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে লকডাউনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থামিয়ে মানুষ হয়েছে গৃহবন্দী। এ সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন গুজব আতঙ্কের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সবার। বাংলাদেশ, ভারতের মতো দেশগুলোতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর প্রবণতা অনেক বেশি। করোনাকালেই নতুন গুজব রটেছে সংবাদপত্র নিয়ে। ছাপা পত্রিকা করোনা ছড়ায় এমন অবান্তর ও অসত্য কথা প্রচার হচ্ছে আকছারই। ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন সংবাদপত্রে আস্থা রাখতে। তাঁর মতে, একমাত্র সংবাদপত্র আর টেলিভিশনই পারে সত্যি খবরটা পৌঁছে দিতে।

বিসিসিআই প্রধান এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘লকডাউনের কারণে আমিও গৃহবন্দী। আপনারাও তাই। বাড়িতে থাকুন। এ পরিস্থিতি সংবাদপত্র আর টিভিই পারে আপনাদের সত্যি খবরটা পৌঁছে দিতে। আমি রোজ সংবাদপত্র পড়ছি। টেলিভিশন দেখছি। আপনারার সেটি করুন।’
পত্রিকার মাধ্যমে এখনো পর্যন্ত করোনাভাইরাস ছড়ানোর কোনো প্রমাণ মেলেনি। ইংল্যান্ডের জার্নাল অব মেডিসিনের গবেষণা বলছে, ‘কাগজের ওপরে কোভিড-১৯ ভাইরাস বেঁচে থাকার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ব্যাপারে একই কথা বলেছে, ‘বাইরে থেকে আসা মোড়ক গ্রহণের মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়ানোর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনও একই কথা বলেছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *